অনলাইন দোকানের কুরিয়ার কীভাবে বাছবেন ও কাজ গুছাবেন
আপনার এলাকা, পণ্য ও পার্সেল অনুযায়ী কুরিয়ার বাছুন। প্যাকিং থেকে ডেলিভারি, রিটার্ন ও টাকা পাওয়ার ধাপগুলো আগে ঠিক করুন।
- লেখা ও সম্পাদনা
- DokanNao Editorial Team
- সময়
- ২ মিনিট
সংক্ষেপে যা মনে রাখবেন
- আপনার আসল এলাকা ও পার্সেল ধরে কুরিয়ারের শর্ত যাচাই করুন।
- কুরিয়ারের রেফারেন্স ও প্রতিটি ডেলিভারি স্ট্যাটাস অর্ডারের সঙ্গে রাখুন।
- রিটার্ন, ক্ষতি ও COD টাকার অমিল কে সামলাবেন, আগে ঠিক করুন।
এই গাইডে যা আছে
কুরিয়ারের নামের চেয়ে আপনার পার্সেল ঠিকমতো পৌঁছাবে কি না, সেটি বেশি জরুরি। কোথায় পাঠাবেন, কী পণ্য আর কীভাবে সমস্যা সামলাবেন, আগে লিখে নিন।
কাস্টমারকে কী কথা দিতে পারবেন, ঠিক করুন
ডেলিভারির এলাকা, পাঠানোর দিন, দিনের শেষ অর্ডারের সময়, প্যাকেজিং, ভঙ্গুর বা নিষিদ্ধ পণ্য, যোগাযোগ ও সাপোর্টের নিয়ম রাখুন। ট্র্যাকিং, ডেলিভারির চেষ্টা, COD ও রিটার্নও ধরুন। অন্য দোকানের সময়সীমা কপি করবেন না।
নিজের পার্সেল ধরে কুরিয়ার যাচাই করুন
কোথা থেকে কোথায় যাবে, ওজন, আকার, দাম ও পণ্যের ধরন দিয়ে বর্তমান অফিসিয়াল শর্ত দেখুন। পিকআপ, ট্র্যাকিং, COD, রিটার্ন, ক্ষতির অভিযোগের প্রমাণ, টাকা পাওয়ার সময় ও সাপোর্টের পথ জেনে নিন।
অর্ডারের সঙ্গে কুরিয়ারের রেকর্ড রাখুন
স্টক, সাইজ, ঠিকানা, মোট টাকা, পেমেন্টের অবস্থা ও প্যাকেট তৈরি হলে কুরিয়ারে বুক করুন। প্রতিষ্ঠানের নাম ও পার্সেলের রেফারেন্স অর্ডারে সেভ করুন। বুকিং, পিকআপ, পথে থাকা, পৌঁছানো, ব্যর্থ, রিটার্ন ও বাতিলের অবস্থা আলাদা রাখুন।
না পৌঁছালে কে কী করবেন, ঠিক করুন
কাস্টমারকে কে জানাবেন, আবার কবে পাঠানো যায়, রিটার্ন চার্জ কে দেবেন, ফেরত পণ্য কে দেখবেন আর টাকা কে মেলাবেন, লিখুন। কুরিয়ারের স্ট্যাটাস জানা দরকার, তবে আপনার দোকানের নিয়মও মানতে হবে।
নিয়মিত সমস্যা ও হিসাব দেখুন
পিকআপে দেরি, রিটার্নের কারণ, হারানো বা নষ্ট পার্সেলের অভিযোগ, COD টাকার অমিল ও ঝুলে থাকা সাপোর্ট অনুরোধ দেখুন। একটি ঘটনার ওপর পুরো সিদ্ধান্ত নেবেন না। COD-এর হিসাব ও ডেলিভারি চার্জ মিলিয়ে রাখুন।