পণ্যের পেজে কী লিখলে কাস্টমার সহজে বুঝবেন
পণ্যের নাম, দাম, ছবি, সাইজ বা রং, স্টক ও ডেলিভারির তথ্য পরিষ্কার করে লিখুন। কাস্টমার যেন বুঝে অর্ডার দিতে পারেন।
গাইডটি পড়ুনDokanNao সম্পাদকীয়
দোকান খোলা, পণ্য সাজানো, অর্ডার, ডেলিভারি, মার্কেটিং ও SEO নিয়ে সহজ গাইড। তথ্যের উৎসও দেওয়া আছে। বিক্রি বা সার্চে ভালো অবস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না।
আমরা যেভাবে গাইড তৈরি করিএখান থেকে শুরু করুন
কী বিক্রি করবেন, স্টক কত, পেমেন্ট ও ডেলিভারি কীভাবে হবে, আগে ঠিক করুন। তারপর ছোট একটি পণ্যের তালিকা দিয়ে দোকান শুরু করুন।
শুরুর গাইড পড়ুনপণ্যের নাম, দাম, ছবি, সাইজ বা রং, স্টক ও ডেলিভারির তথ্য পরিষ্কার করে লিখুন। কাস্টমার যেন বুঝে অর্ডার দিতে পারেন।
গাইডটি পড়ুনএকটি পণ্য বা অফার দেখাতে ল্যান্ডিং পেজ কাজে আসে। অনেক পণ্য দেখা ও তুলনা করার জন্য পুরো অনলাইন দোকান বেশি সুবিধার।
গাইডটি পড়ুনকাস্টমারকে লিংক দেওয়ার আগে পণ্য, স্টক, অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও দোকানের নিয়ম মিলিয়ে নিন। ফোনেও পুরো ধাপ টেস্ট করুন।
গাইডটি পড়ুন৬টি গাইড
কোথায় বিক্রি করবেন, ডোমেইন কী হবে, কত খরচ আর কীভাবে শুরু করবেন, জেনে নিন।
৬টি গাইড
পণ্য এমনভাবে সাজান, যেন মোবাইলেও কাস্টমার বুঝে বেছে নিতে ও অর্ডার দিতে পারেন।
৭টি গাইড
অর্ডার, পেমেন্ট, কুরিয়ার, ডেলিভারি চার্জ ও বিক্রির পরের কাজ গুছিয়ে নিন।
৩টি গাইড
পোস্ট বা কথাবার্তা থেকে কাস্টমারকে পণ্য বুঝতে ও অর্ডার দিতে সাহায্য করুন।
৬টি গাইড
পণ্য, ক্যাটাগরি, ছবি ও গাইডের পেজ যেন সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে ও বুঝতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুন।
২টি গাইড
DokanNao-তে পণ্য, চেকআউট, অর্ডার ও ক্যাম্পেইনের কাজ গুছিয়ে নিন।
খুঁজে পড়ুন
৩০টি গাইড পাওয়া গেছে
কুরিয়ার, প্যাকেজিং ও রিটার্নের খরচ ধরে ডেলিভারি চার্জ ঠিক করুন। অর্ডার দেওয়ার আগেই কাস্টমারকে পুরো টাকা দেখান।
COD অর্ডার পেলেই টাকা পাওয়া হয় না। কনফার্মেশন, প্যাকিং, কুরিয়ার, ডেলিভারি, টাকা পাওয়া ও রিটার্নের হিসাব আলাদা রাখুন।
কাস্টমার যেন পছন্দের ধরনের পণ্য সহজে পান। ক্যাটাগরির নাম, সাজানোর ধাপ, ফিল্টার ও লিংক সেই কাজ মাথায় রেখে ঠিক করুন।
সহজে বলা ও লেখা যায় এমন নাম বাছুন। ডোমেইন কার অ্যাকাউন্টে থাকবে, কীভাবে রিনিউ হবে আর DNS কোথায় বদলাবেন, আগে জেনে নিন।
দরকারি তথ্যটুকু নিন, ভুল হলে কী ঠিক করতে হবে বলুন, আর অর্ডার দেওয়ার আগে পণ্য থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত পুরো হিসাব দেখান।
আপনার এলাকা, পণ্য ও পার্সেল অনুযায়ী কুরিয়ার বাছুন। প্যাকিং থেকে ডেলিভারি, রিটার্ন ও টাকা পাওয়ার ধাপগুলো আগে ঠিক করুন।
আসল পণ্যের পরিষ্কার ছবি দিন। ছবির পাশে দরকারি লেখা রাখুন, alt text বুঝিয়ে লিখুন, আর ফাইল ছোট করুন যেন লোড হতে দেরি না হয়।
কাস্টমার পরের ধাপে যেখানে যেতে চাইবেন, সেখানে পরিষ্কার নাম দিয়ে লিংক দিন। পণ্য, ক্যাটাগরি, গাইড ও দোকানের নিয়মগুলো যুক্ত রাখুন।
পণ্যের নাম, কাস্টমারের প্রশ্ন ও সার্চের ফল থেকে শব্দ বাছুন। একই প্রয়োজনের জন্য আলাদা আলাদা প্রায় একই পেজ বানাবেন না।
পণ্য, ক্যাটাগরি ও গাইডের তথ্য পরিষ্কার করুন। সার্চ ইঞ্জিন যেন পেজ খুঁজে ও বুঝতে পারে, সেই ব্যবস্থা রেখে আসল ফল নিয়মিত দেখুন।
শুধু ওয়েবসাইট তৈরির দাম নয়। ডোমেইন, সফটওয়্যার, পণ্য তোলা, পেমেন্ট, কুরিয়ার ও টিমের সময় ধরে পুরো বাজেট করুন।
পুরোনো সব পোস্ট কপি না করে এখনকার পণ্য, দাম ও স্টক দিয়ে শুরু করুন। কাস্টমারকে সঠিক লিংক দিন এবং অর্ডারের হিসাব এক জায়গায় আনুন।
Facebook-এ মানুষ আপনার পণ্য চিনবেন ও কথা বলবেন। নিজের ওয়েবসাইটে পণ্য, দাম, অর্ডার ও দোকানের নিয়ম গুছিয়ে রাখতে পারেন।
কত পণ্য বিক্রি করা যাবে, তার একটি মূল হিসাব রাখুন। পণ্য আসা, বিক্রি, রিটার্ন ও নষ্ট হওয়ার কারণ লিখে নিয়মিত হাতে গুনে মেলান।
বিজ্ঞাপনে যে পণ্য, দাম ও অফার দেখাবেন, পেজেও সেটিই রাখুন। মোবাইলে তথ্য, অর্ডার ও পেমেন্টের ধাপ ঠিকমতো কাজ করছে কি না দেখুন।
পণ্যের দরকারি তথ্য, স্পষ্ট বাটন ও সহজ অর্ডার ফর্ম রাখুন। ছোট স্ক্রিন, লম্বা বাংলা লেখা ও ধীর ইন্টারনেটেও ব্যবহার করে দেখুন।
কাস্টমার কীভাবে টাকা দেবেন আর আপনি কীভাবে নিশ্চিত হবেন, হিসাব মেলাবেন ও রিফান্ড করবেন, সব ধাপ ধরে পেমেন্ট পদ্ধতি বাছুন।
ক্যাটাগরি, পণ্যের নাম, সাইজ, রং, কোড ও স্টক একই নিয়মে রাখুন। কাস্টমার যেন বেছে নিতে পারেন এবং টিম সঠিক পণ্য পাঠাতে পারে।
কাগজপত্র, অনুমোদন, চার্জ, টাকা পাওয়ার সময় ও রিফান্ডের নিয়ম জানুন। ডেভেলপারকে সফল ও ব্যর্থ পেমেন্টের পুরো ধাপ টেস্ট করতে বলুন।
পণ্যের সঠিক নাম, দাম, স্টক, ছবি ও দরকারি তথ্য দিন। একই পণ্যের URL, ভ্যারিয়েন্ট ও সার্চের বিবরণ যেন মিল থাকে।
কখন পণ্য ফেরত নেওয়া হবে, কী তথ্য লাগবে, চার্জ কে দেবেন আর টাকা কীভাবে ফেরত যাবে, কাস্টমারের বোঝার মতো করে লিখুন।
নরম আলো, স্থির ফোন ও পরিষ্কার ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে শুরু করুন। পণ্যের আসল রং, মাপ ও খুঁটিনাটি যেন ছবিতে ঠিকভাবে বোঝা যায়।
কী বিক্রি করবেন, স্টক কত, পেমেন্ট ও ডেলিভারি কীভাবে হবে, আগে ঠিক করুন। তারপর ছোট একটি পণ্যের তালিকা দিয়ে দোকান শুরু করুন।
শুধু হোমপেজ নয়। পণ্য বাছা থেকে অর্ডার, স্টক, পেমেন্ট, কুরিয়ার ও সমস্যা হলে আবার চেষ্টা করার ধাপগুলো মিলিয়ে দেখুন।
আসল পরিচয়, পণ্যের সঠিক তথ্য, পুরো খরচ ও সহজ যোগাযোগ দিন। বানানো রিভিউ বা তাড়ার বদলে কথা ও কাজের মিল রাখুন।
একই পণ্যের সাইজ বা রং হলো ভ্যারিয়েন্ট, পণ্য চেনার নিজস্ব কোড হলো SKU, আর কতটি বিক্রি করা যাবে তার হিসাব হলো স্টক।
পণ্যের নাম, দাম, ছবি, সাইজ বা রং, স্টক ও ডেলিভারির তথ্য পরিষ্কার করে লিখুন। কাস্টমার যেন বুঝে অর্ডার দিতে পারেন।
কথাবার্তা চলুক Facebook বা WhatsApp-এ। পণ্যের তথ্য, দাম, স্টক ও অর্ডারের হিসাব রাখুন আপনার অনলাইন দোকানে।
একটি পণ্য বা অফার দেখাতে ল্যান্ডিং পেজ কাজে আসে। অনেক পণ্য দেখা ও তুলনা করার জন্য পুরো অনলাইন দোকান বেশি সুবিধার।
কাস্টমারকে লিংক দেওয়ার আগে পণ্য, স্টক, অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও দোকানের নিয়ম মিলিয়ে নিন। ফোনেও পুরো ধাপ টেস্ট করুন।