দোকানের রিটার্ন, রিফান্ড ও বাতিলের নিয়ম লিখবেন যেভাবে
কখন পণ্য ফেরত নেওয়া হবে, কী তথ্য লাগবে, চার্জ কে দেবেন আর টাকা কীভাবে ফেরত যাবে, কাস্টমারের বোঝার মতো করে লিখুন।
- লেখা ও সম্পাদনা
- DokanNao Editorial Team
- সময়
- ২ মিনিট
সংক্ষেপে যা মনে রাখবেন
- অর্ডার বাতিল, পণ্য ফেরত, বদল ও টাকা ফেরত আলাদা করে বুঝিয়ে বলুন।
- কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে এবং সময় কখন থেকে গুনবেন, লিখুন।
- ডেলিভারি চার্জ, রিফান্ড ও ফেরত পণ্যের স্টকের নিয়ম মিলিয়ে রাখুন।
এই গাইডে যা আছে
অন্য দোকানের নিয়ম কপি করার আগে ভাবুন আপনার পণ্য, কুরিয়ার, পেমেন্ট ও আইনি দায়িত্ব একই কি না। টিম যে নিয়ম মানতে পারবে, সেটিই লিখুন।
বাতিল, রিটার্ন, বদল ও রিফান্ড আলাদা বলুন
পাঠানোর আগে অর্ডার বাতিল, পাওয়ার পরে পণ্য ফেরত, আরেকটি পণ্য দিয়ে বদল এবং টাকা ফেরত, চারটি আলাদা বিষয়। কোনটির সঙ্গে কোনটি হবে এবং কোন ধাপে আর পরিবর্তন করা যাবে না, স্পষ্ট করুন।
কোন ক্ষেত্রে হবে, পরিষ্কার লিখুন
কোন পণ্য, কী অবস্থা, ট্যাগ বা প্যাকেট, ভুল বা নষ্ট পণ্য এবং কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে, বলুন। দিন গোনা কখন থেকে শুরু হবে, সেটিও দিন। কী অর্ডারের তথ্য লাগবে ও আসল ব্যতিক্রম কী, লিখুন। “যেকোনো কারণে না করতে পারি” ধরনের অস্পষ্ট নিয়ম এড়িয়ে চলুন।
অনুরোধের ধাপ দেখান
কোথায় যোগাযোগ করবেন, কী পাঠাবেন, অনুরোধ পাওয়ার খবর কীভাবে দেবেন, কে দেখবেন এবং কখন আপডেট পাবেন, জানান। পণ্য ফেরত দেওয়ার পথ ও সমস্যা না মিটলে কার কাছে যাবেন, রাখুন। প্রয়োজনের বেশি প্রমাণ চাইবেন না।
টাকা, কুরিয়ার ও স্টক একসঙ্গে ভাবুন
কোন অনুমোদিত ক্ষেত্রে ডেলিভারি বা রিটার্ন চার্জ কে দেবেন, লিখুন। COD ও অনলাইন পেমেন্টের টাকা কীভাবে ফিরবে, রিফান্ড আটকে গেলে কী হবে, ঠিক করুন। ফেরত পণ্য দেখার পরে বিক্রির স্টকে যোগ করুন। কুরিয়ারের কাজের নিয়ম একই রাখুন।
নিয়ম বাস্তবে মানতে পারবেন কি না দেখুন
বাংলাদেশের প্রযোজ্য নিয়ম মিলিয়ে নিন। বড় ঝুঁকি থাকলে যোগ্য পরামর্শ নিন। সাপোর্ট টিমকে শেখান এবং চালুর আগে একটি রিটার্ন ও বাতিলের ধাপ টেস্ট করুন। পালন করা যায় না এমন উদার প্রতিশ্রুতির চেয়ে সৎ ও স্পষ্ট নিয়ম ভালো।